একুশের পথ ধরেই গণতান্ত্রিক স্বাধিকার অর্জিত হয়েছে:তারেক রহমান

একুশের পথ ধরেই গণতান্ত্রিক স্বাধিকার অর্জিত হয়েছে:তারেক রহমান


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র যেন আর কখনো কঠিন শৃঙ্খলে আবদ্ধ না হয়, সেই জন্য স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি সময়োপযোগী সজাগতা জরুরি। এক্ষেত্রে একুশের অম্লান চেতনা আমাদের উদ্বুদ্ধ করবে। ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয়তাবাদ ও ঐক্যের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। একুশের পথ ধরেই দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আমরা গণতান্ত্রিক স্বাধিকার অর্জন করেছি।

জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গতকাল দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বাণীতে তারেক রহমান এসব কথা বলেন। তিনি ভাষা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের একটি অমলিন অধ্যায়। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে শহীদ হন। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকেই তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

তাদের মহান আত্মত্যাগের ফলে রচিত হয়েছে আমাদের মুক্তি আন্দোলনের প্রথম সোপান। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে এখন বিশ্বের নানা প্রান্তে পালিত হয়। ১৯৫২ সালের একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই দেশের গণতান্ত্রিক এবং স্বাধিকারের সংগ্রাম তীব্র হয়ে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। জনগণ শৃঙ্খলমুক্ত হয়ে একটি স্বাধীন ভূখণ্ড ফিরে পেয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তি আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ চালানোর ষড়যন্ত্র করে আসছে। কিন্তু দেশের জনগণ সব সময়ই স্বৈরাচার এবং দেশি-বিদেশি কুচক্রীদের প্রতিহত করেছে। আমাদের কাজ হচ্ছে, ন্যায়বিচার, মানবিক সাম্য এবং প্রকৃত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও চিরস্থায়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়া। এজন্য স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী গণতান্ত্রিক শক্তির সার্বক্ষণিক সজাগ থাকা প্রয়োজন, যাতে গণতন্ত্র কখনো কঠিন শৃঙ্খলে বন্দি হতে না পারে। একুশের চেতনা আমাদের সব সময় অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের শিকড় অনুসন্ধানে ভাষাচেতনার স্ফুরণ ঘটে। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয়তাবাদ ও ঐক্যের অনুভূতি জাগ্রত করেছে। ২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত হয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। তিনি ’৫২ সালের ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। ভাষাসৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন জানান এবং তাদের পরিবারের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Smartwatchs