ইসরায়েলি বন্দীদের জীবন সংকটাপন্ন, সতর্কতা হামাসের

 ইসরায়েলি বন্দীদের জীবন সংকটাপন্ন, সতর্কতা হামাসের



ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজার যেসব এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে যেতে বলেছে, সেখানে আটক ইসরায়েলি বন্দীদের জীবন এখন ‘হুমকির মুখে’ বলে সতর্ক করেছে হামাসের সশস্ত্র শাখা, আল-কাসাম ব্রিগেডস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে, আল-কাসাম ব্রিগেডসের মুখপাত্র আবু ওবাইদা এই হুঁশিয়ারি দেন।

আবু ওবাইদা জানান, জীবিত ইসরায়েলি বন্দীদের অর্ধেকই এমন এলাকাগুলিতে রয়েছে, যেখান থেকে ইসরায়েলি বাহিনী বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আল-কাসাম ব্রিগেডস এসব বন্দীদের স্থানান্তরের কোনো পরিকল্পনা করেনি, ফলে ইসরায়েলি বাহিনীর এই নির্দেশ বন্দীদের জীবনকে গভীর ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

আবু ওবাইদা আরও বলেন, যদি ইসরায়েল তাদের বন্দীদের নিরাপত্তা নিয়ে সত্যিই উদ্বিগ্ন থাকে, তবে তাদের মুক্তির লক্ষ্যে আলোচনায় বসতে হবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে বন্দীদের এই বিপদের জন্য দায়ী করে আবু ওবাইদা বলেন, গত জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েল যদি মেনে চলত, তবে আজ বন্দিরা নিরাপদে থাকতে পারত।

এদিকে, আল-কাসাম ব্রিগেডসের এই বিবৃতির পর এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েলি সরকার।

গত রোববার, নেতানিয়াহু গাজায় হামলা জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে।

১৮ মার্চ ইসরায়েলি বাহিনীর গাজায় বিমান হামলায় ১,২৪৯ জন নিহত এবং ৩,০২২ জন আহত হন। জানুয়ারিতে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময় চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল এই হামলা চালিয়েছিল।

গত অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজায় ৫০,৬০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Smartwatchs