সাত কলেজের জন্য পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের পরিকল্পনা।

 সাত কলেজের জন্য পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের পরিকল্পনা।


সাতটি সরকারি কলেজ হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ। এসব কলেজে দুই লাখ শিক্ষার্থী এবং এক হাজারের বেশি শিক্ষক রয়েছেন।

প্রায় আট বছর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা এই সাত কলেজকে নিয়মিত ক্লাস, সময়মতো পরীক্ষা এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আনা হয়েছিল। তবে দীর্ঘ সময়েও সব সমস্যার সমাধান হয়নি। বরং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের 'অবহেলা'র বিষয়টি বারবার সামনে এসেছে।

সাম্প্রতিক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে সাত কলেজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আর শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে না। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলন এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এই কলেজগুলোর জন্য একটি পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো এবং মডেল নিয়ে এখনো কাজ চলছে।

সাত কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসার পর থেকে নিয়মিত আন্দোলন এবং অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা সময়মতো ফল প্রকাশ, সেশনজট নিরসন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন। সরকারের পক্ষ থেকে প্রথমে বলা হয়েছিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আলাদা ব্যবস্থাপনা থাকবে, যা শিক্ষার্থীরা মেনে নেয়নি। পরে ইউজিসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সাত কলেজের জন্য পৃথক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবনা দ্রুততর করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

এতদিনে আট বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো বড় আকার ধারণ করেছে। সরকার এখন পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চাহিদা এবং সমস্যাগুলোর সমাধান করার চেষ্টা করছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Smartwatchs