বাংলাদেশি পণ্যে আমেরিকার বাড়তি শুল্ক, প্রেস সচিবের প্রতিক্রিয়া

 বাংলাদেশি পণ্যে আমেরিকার বাড়তি শুল্ক, প্রেস সচিবের প্রতিক্রিয়া



আমেরিকার সঙ্গে চলমান আলোচনা মাধ্যমে বাড়তি শুল্কের বিষয়টি সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম।

বৃহস্পতিবার তিনি জানান, আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্কের হার পুনর্বিবেচনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআর দ্রুততম সময়ে শুল্ক যুক্তিসঙ্গত করার জন্য বিভিন্ন বিকল্প খুঁজছে।

বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক যাওয়ার আগে শফিকুল আলম বলেন, “আমেরিকা বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে আমেরিকার সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘পারস্পরিক শুল্ক’ নীতির আওতায় বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সরকারের দাবি, বাংলাদেশ আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, এবং এর প্রতিশোধ হিসেবে এই শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে।

বর্তমানে বেশিরভাগ বাংলাদেশি পণ্য আমেরিকার বাজারে ১৫ শতাংশ শুল্কের আওতায় প্রবেশ করে।

তবে, বাংলাদেশের জন্য কিছুটা সান্ত্বনার বিষয় হলো, অন্যান্য অনেক প্রতিযোগী দেশের শুল্কহার আরও বেশি। যেমন, ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ, কম্বোডিয়ার ওপর ৪৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ওপর ৪৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ওপর ২৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Smartwatchs