নিরাপত্তা উপদেষ্টা: ভারত থেকে লোক ঠেলে দেওয়ার উদ্যোগ ‘অন্যায্য’
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ভারত থেকে বাংলাদেশে লোক ঠেলে দেওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ‘অন্যায্য পদ্ধতি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এসব পুশ-ইন কার্যক্রম সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই পরিচালিত হয়েছে। বাংলাদেশ কেবল সেই ব্যক্তিদেরই গ্রহণ করবে, যাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্বের যথাযথ প্রমাণ রয়েছে।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই ধরনের প্রত্যাবর্তন আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে হওয়া উচিত। আমরা প্রতিটি ঘটনার সত্যতা যাচাই করছি, এবং স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হলো—যদি কেউ প্রকৃত বাংলাদেশি হয় এবং তার যথাযথ প্রমাণ থাকে, তবেই আমরা তাকে গ্রহণ করব।’
তিনি জানান, ভারত সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘আমরা এই বিষয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ করছি,’ বলেন তিনি।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সকালে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) খাগড়াছড়ি সীমান্ত দিয়ে ৬৬ জন মুসলিম ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। তাদের বাংলাদেশি বলে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
একই অনুষ্ঠানে ড. খলিলুর রহমান ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি উপস্থাপন করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। দুই প্রতিবেশী দেশকে সংযম প্রদর্শন ও উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সংকট নিরসন সম্ভব এবং এতে জনগণের মঙ্গল নিশ্চিত হবে।
এদিকে, ভারত-পাকিস্তান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেশের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপারদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করব।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ৩০টি জেলার সঙ্গে ভারতের এবং তিনটি জেলার সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
নিরাপত্তা উপদেষ্টা: ভারত থেকে লোক ঠেলে দেওয়ার উদ্যোগ ‘অন্যায্য’
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ভারত থেকে বাংলাদেশে লোক ঠেলে দেওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ‘অন্যায্য পদ্ধতি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এসব পুশ-ইন কার্যক্রম সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই পরিচালিত হয়েছে। বাংলাদেশ কেবল সেই ব্যক্তিদেরই গ্রহণ করবে, যাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্বের যথাযথ প্রমাণ রয়েছে।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই ধরনের প্রত্যাবর্তন আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে হওয়া উচিত। আমরা প্রতিটি ঘটনার সত্যতা যাচাই করছি, এবং স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হলো—যদি কেউ প্রকৃত বাংলাদেশি হয় এবং তার যথাযথ প্রমাণ থাকে, তবেই আমরা তাকে গ্রহণ করব।’
তিনি জানান, ভারত সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘আমরা এই বিষয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ করছি,’ বলেন তিনি।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সকালে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) খাগড়াছড়ি সীমান্ত দিয়ে ৬৬ জন মুসলিম ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। তাদের বাংলাদেশি বলে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
একই অনুষ্ঠানে ড. খলিলুর রহমান ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি উপস্থাপন করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। দুই প্রতিবেশী দেশকে সংযম প্রদর্শন ও উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সংকট নিরসন সম্ভব এবং এতে জনগণের মঙ্গল নিশ্চিত হবে।
এদিকে, ভারত-পাকিস্তান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেশের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপারদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করব।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ৩০টি জেলার সঙ্গে ভারতের এবং তিনটি জেলার সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।

Post a Comment